১০ বছরের অপেক্ষা | A Love Story That Never Got Its Ending (complete edition) | Story by Tanmoy Roy | CHOLO GOLPO SUNI
রমনের ঘুম ভাঙল জানালার ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়া সকালের নরম রোদের স্পর্শে। প্রতিদিনের মতো আজও বিছানা ছেড়ে উঠে সে সোজা জানালার কাছে এসে দাঁড়াল। বাইরের হালকা ঠান্ডা হাওয়া মুখে লাগছিল, দূরে পাখিদের ডাক শোনা যাচ্ছিল, আর পাশের বাড়িটার বারান্দায় টবের গাছগুলো নড়ছিল বাতাসে। কিন্তু রমন এসবের কিছুই খেয়াল করছিল না। তার চোখ আটকে ছিল একটা নির্দিষ্ট জানালায়।
সে অপেক্ষা করছিল।
হয়তো আজও সায়নি বারান্দায় আসবে। হয়তো হাতে জলভর্তি মগ নিয়ে গাছগুলোতে জল দেবে। হয়তো ভেজা চুল কাঁধে ছড়িয়ে দাঁড়াবে জানালার পাশে। অথবা হয়তো স্কুলের ড্রেস পরে তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে যাবে।
এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই ছিল রমনের দিনের সবচেয়ে সুন্দর সময়।
সায়নি ছিল রমনের পাশের বাড়ির মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই তারা একে অপরকে চিনত। একই স্কুল, একই ক্লাস, একই টিউশন— এমনকি অনেক সময় একই বেঞ্চেও বসেছে তারা। ছোটবেলায় দুজনে একসঙ্গে কত খেলাধুলো করেছে তার হিসেব নেই। পাড়ার দুর্গাপুজোর সময় সায়নি আর রমন সবসময় একই দলে থাকত। কখনো প্যান্ডেলে ঘুরতে যাওয়া, কখনো একসঙ্গে ফুচকা খাওয়া, কখনো আবার টিউশন ফাঁকি দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরা— সব স্মৃতির মধ্যেই সায়নি যেন আলাদা একটা জায়গা নিয়ে ছিল।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রমনের ভেতরে কিছু একটা বদলাতে শুরু করল।
বন্ধুত্বের জায়গায় অন্যরকম একটা অনুভূতি জন্ম নিতে লাগল। প্রথমদিকে সে নিজেও বুঝতে পারেনি। শুধু এতটুকু বুঝত, সায়নি অন্য কারও সঙ্গে বেশি কথা বললে তার খারাপ লাগত। স্কুলে যদি সায়নি একদিন না আসত, পুরো দিনটাই ফাঁকা লাগত। টিউশনে সায়নি পাশে না বসলে অদ্ভুত রাগ হতো।
একদিন টিউশন শেষে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল। রাস্তার পাশে একটা দোকানের ছাউনির নিচে দাঁড়িয়ে ছিল তারা। সায়নির ভেজা চুলের ডগা থেকে টুপটাপ জল পড়ছিল। সেই মুহূর্তে হঠাৎ রমনের বুকের ভিতর কেমন একটা অনুভূতি জেগে উঠেছিল।
সেদিন রাতেই সে প্রথম বুঝেছিল—
সে সায়নিকে ভালোবেসে ফেলেছে।
কিন্তু সে কখনো সাহস করে বলেনি।
অনেকবার ভেবেছে বলবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে practice পর্যন্ত করেছে।
“সায়নি… আমি তোমাকে একটা কথা বলতে চাই…”
কিন্তু যখনই সামনে গিয়ে দাঁড়াত, সব গুলিয়ে যেত। গলা শুকিয়ে যেত। বুক ধড়ফড় করত। মনে হতো, যদি সায়নি হেসে দেয়? যদি বলে— “তুই এসব ভাবলি কিভাবে?”
বন্ধুরা বিষয়টা টের পেয়ে গিয়েছিল অনেক আগেই।
একদিন স্কুলের মাঠে বসে সবাই আড্ডা দিচ্ছিল। তখনই অর্ক হেসে বলেছিল,
“তুই কোনোদিন বলতেই পারবি না।”
আরেকজন বলেছিল,
“দেখিস, অন্য কেউ propose করে নিয়ে যাবে।”
রমন শুধু হেসেছিল।
“এখনও ঠিক সময় আসেনি…”
কিন্তু আসলে সে ভয় পেত।
সেই ভয়টাই তাকে আটকে রেখেছিল।
দিনগুলো কেটে যাচ্ছিল। আর রমন প্রতিদিন নিজের ভেতরে নিজের ভালোবাসাকে লুকিয়ে রাখছিল। মাঝে মাঝে সে কল্পনা করত— একদিন হয়তো কলেজের পরে, কোনো বৃষ্টিভেজা বিকেলে, সে সায়নির হাত ধরে সব বলে দেবে। সায়নি হয়তো চুপ করে শুনবে, তারপর মিষ্টি করে হেসে বলবে— “আমিও…”
কিন্তু বাস্তবতা কখনো কল্পনার মতো হয় না।
একদিন স্কুলে গিয়ে রমন খেয়াল করল সায়নি আসেনি। প্রথমে সে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। ভেবেছিল শরীর খারাপ। কিন্তু টানা তিনদিন সায়নি স্কুলে না আসায় তার ভেতরে অস্থিরতা বাড়তে লাগল।
অবশেষে সে সায়নির এক বান্ধবীকে জিজ্ঞেস করল।
তারপর যে কথাটা সে শুনল, সেটা যেন মুহূর্তের মধ্যে তার পৃথিবী থামিয়ে দিল।
সায়নির বাবা নাকি তামিলনাড়ুতে transfer হয়েছেন।
আর তারা সবাই সেখানেই চলে যাবে।
স্থায়ীভাবে।
রমনের মাথার ভিতর যেন ঝড় বয়ে গেল। চারপাশের সব আওয়াজ কেমন দূরে সরে যেতে লাগল। সে শুধু একটা কথাই ভাবছিল—
তাহলে সে আর কোনোদিন সায়নিকে দেখতে পাবে না?
সেদিন স্কুলের পুরো সময়টা কিভাবে কেটেছিল সে নিজেও জানত না। বাড়ি ফেরার পরও সে নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে চুপচাপ বসে ছিল। মনে হচ্ছিল বুকের ভিতর কেউ পাথর চেপে রেখেছে।
সেই রাতে সে প্রথমবার বুঝল, কাউকে না বলেও কত গভীরভাবে ভালোবাসা যায়।
পরদিন স্কুল ছুটি হতেই রমন কাউকে কিছু না বলে দৌড়ে গেল সায়নিদের বাড়িতে।
গিয়ে দেখে বাড়িতে তালা ঝুলছে।
তার বুক ধক করে উঠল।
ঠিক তখনই বাড়ির কাজের মহিলা বের হলেন। তার কাছ থেকেই রমন জানতে পারল—
“ওরা সবাই স্টেশনে গেছে বাবু…”
আর কিছু শোনেনি রমন।
সে ছুটতে শুরু করল।
রাস্তা, গলি, ট্রাফিক— কিছুই আর তার চোখে পড়ছিল না। শুধু একটা চিন্তা—
যেভাবেই হোক তাকে আজ সায়নির সামনে দাঁড়াতে হবে।
স্টেশনে পৌঁছে সে পাগলের মতো এদিক-ওদিক খুঁজতে লাগল। প্ল্যাটফর্মে অসংখ্য মানুষ। কেউ ট্রেন ধরছে, কেউ ব্যাগ টানছে, কেউ বিদায় দিচ্ছে। সেই ভিড়ের মধ্যে কোথাও সায়নিকে দেখতে পেল না।
তার চোখে জল চলে এলো।
হঠাৎ তার মাথায় এলো—
হয়তো ট্রেনের ভিতরে।
সে এক একটা কামরার জানালা দিয়ে ভিতরে তাকাতে লাগল। বুকের ভিতর তখন ঝড় বইছে। কিন্তু ঠিক তখনই ট্রেনটা চলতে শুরু করল।
রমন দৌড়াতে লাগল।
আরও জোরে।
আরও দ্রুত।
সে চিৎকার করে ডাকছিল—
“সায়নি…! সায়নি…!”
কিন্তু ট্রেনের আওয়াজে সেই ডাক হারিয়ে যাচ্ছিল।
একসময় ক্লান্ত হয়ে সে প্ল্যাটফর্মেই লুটিয়ে পড়ল।
দূরে ট্রেনটা ছোট হতে হতে মিলিয়ে গেল।
আর রমন বুঝল—
সে সায়নিকে হারিয়ে ফেলেছে।
সেদিন রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। জানালার পাশে বসে রমন ভিজে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিল। তার মনে হচ্ছিল, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটাকে সে নিজের হাতেই হারিয়ে ফেলেছে।
তারপর সময় কেটে গেল।
স্কুল শেষ হলো। কলেজ এলো। জীবনে নতুন মানুষ এলো, নতুন ব্যস্ততা এলো। কিন্তু সায়নিকে সে ভুলতে পারল না।
অনেকদিন পর্যন্ত সে সায়নির বন্ধুদের কাছ থেকে খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কেউ ঠিকমতো কিছু বলতে পারত না। ধীরে ধীরে সবাই বিরক্ত হয়ে পড়ল।
তারপর একসময় রমন চুপ করে গেল।
কিন্তু ভালোবাসা কি এত সহজে শেষ হয়?
হয় না।
দশ বছর কেটে গেছে।
রমন এখন বড় হয়েছে। নিজের garments business দাঁড় করিয়েছে। শহরে তার পরিচিতি হয়েছে। লোকজন তাকে সফল বলে।
কিন্তু ভিতরে ভিতরে সে এখনও সেই আগের রমনই রয়ে গেছে।
যে আজও মাঝে মাঝে রাত জেগে ভাবে—
যদি সেদিন একটু আগে পৌঁছতে পারতাম…
একদিন business-এর কাজের জন্য রমন অন্য শহরে গিয়েছিল। কাজ শেষ করে সে একটা বড় shopping mall-এ ঢুকল। অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরির পরে সে food court-এ গিয়ে chowmein order করল।
ঠিক তখনই তার চোখ একটা মেয়ের উপর গিয়ে আটকে গেল।
মেয়েটা burger খাচ্ছিল।
চোখ দুটো কেমন যেন চেনা লাগছিল।
রমন তাকিয়ে রইল।
আর কয়েক সেকেন্ড পর তার বুক কেঁপে উঠল।
এ তো… সায়নি!
দশ বছর পর।
চেহারা বদলেছে। আগের থেকে আরও পরিণত হয়েছে। কিন্তু চোখ দুটো…
সেই একই রকম মায়াবী।
সায়নিও এবার রমনকে লক্ষ্য করল।
আর আশ্চর্যজনকভাবে এক মুহূর্তেই চিনে ফেলল তাকে।
“রমন?”
সেই কণ্ঠস্বর শুনে রমনের শরীর কেঁপে উঠল।
সে শুধু তাকিয়ে ছিল।
সায়নি এগিয়ে এসে মিষ্টি হেসে বলল,
“আমাকে চিনতে পেরেছ?”
রমনের গলা শুকিয়ে গিয়েছিল।
“কেন চিনতে পারব না?”
তারপর তারা বসে অনেকক্ষণ গল্প করল। পুরনো স্কুল, পুরনো বন্ধু, টিউশনের কথা, পাড়ার পুজো— সবকিছু যেন আবার ফিরে এলো।
রমনের মনে হচ্ছিল, সময় যেন হঠাৎ দশ বছর পিছিয়ে গেছে।
সেদিন বাড়ি ফেরার আগে সায়নি রমনের phone number নিয়ে বলেছিল,
“ফোন করব কিন্তু…”
আর সত্যিই সেই রাতেই শুরু হয়েছিল আবার নতুন করে কথা বলা।
প্রথমদিন এক ঘণ্টা কথা হয়েছিল।
দ্বিতীয়দিন তিন ঘণ্টা।
তারপর প্রতিদিন।
কখন যে তারা আবার আগের মতো হয়ে উঠেছিল, কেউ বুঝতে পারেনি।
একদিন সকালে সায়নির ফোনেই রমনের ঘুম ভাঙল।
অনেকক্ষণ গল্প করার পর হঠাৎ রমন জানতে পারল—
সায়নি মাত্র দশ দিনের জন্য এসেছে।
আর পাঁচ-ছয় দিন পর আবার Tamil Nadu ফিরে যাবে।
রমনের বুকের ভিতর আবার সেই পুরনো ভয় ফিরে এলো।
এইবারও কি সে তাকে হারাবে?
কিন্তু এবার সে ঠিক করল—
আর কোনো ভুল করবে না।
সেদিন বিকেলে calendar-এর দিকে তাকিয়ে হঠাৎ তার চোখ পড়ল একটা তারিখে।
Valentine’s Day।
সে হালকা হাসল।
হয়তো ঈশ্বর এবার সত্যিই তাকে একটা সুযোগ দিয়েছেন।
পরদিন দুপুরে রমন shopping mall-এর সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল।
হঠাৎ একটা taxi এসে থামল।
সেখান থেকে নামল সায়নি।
গোলাপি salwar-kameez পরে আজ তাকে যেন আরও সুন্দর লাগছিল। রমনের মনে হচ্ছিল, এত সুন্দর কাউকে কি সত্যিই ভালোবাসা যায়?
তারা food court-এ বসে coffee খেল।
হঠাৎ সায়নি মিষ্টি হেসে বলল,
“আমি জানি তুমি কি বলতে চাও…”
রমন অবাক হয়ে গেল।
সায়নি জানাল, সে অনেক আগেই বুঝেছিল রমন তাকে ভালোবাসে।
শুধু ভাগ্য তাদের এতদিন আলাদা করে রেখেছিল।
সেই মুহূর্তে রমনের মনে হচ্ছিল, এতদিনের অপেক্ষা বুঝি শেষ হতে চলেছে।
তারপর তারা movie দেখতে গেল।
Cinema hall-এর অন্ধকারে মাঝেমধ্যে রমন চুপচাপ সায়নির দিকে তাকাচ্ছিল। সে বিশ্বাসই করতে পারছিল না—
যে মেয়েটাকে একদিন হারিয়ে ফেলেছিল, আজ সে আবার তার পাশেই বসে আছে।
Movie শেষ হতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। বাইরে ঠান্ডা হাওয়া বইছিল। আকাশে মেঘ জমেছিল।
রমন বলল,
“চলো, dinner-এ যাই।”
কিন্তু সায়নি হেসে বলল,
“না, আগে ভুট্টা খাব।”
রমন হেসে ফেলল।
আজ সে সায়নির সব ইচ্ছা পূরণ করতে চায়।
সে রাস্তার পাশে ভুট্টা কিনতে গেল।
আর সায়নি রাস্তা পার হওয়ার জন্য এগিয়ে গেল।
ঠিক তখনই—
একটা গাড়ি signal ভেঙে ভয়ংকর গতিতে এসে তাকে ধাক্কা মেরে চলে গেল।
সবকিছু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বদলে গেল।
রমনের হাত থেকে ভুট্টা পড়ে গেল।
সে দৌড়ে গিয়ে সায়নিকে নিজের কোলে তুলে নিল।
চারপাশে মানুষ জড়ো হচ্ছিল। কেউ ambulance ডাকছিল। কেউ গাড়িটার নম্বর দেখার চেষ্টা করছিল।
কিন্তু রমন শুধু সায়নির মুখের দিকে তাকিয়ে ছিল।
রক্তে তার সাদা shirt লাল হয়ে যাচ্ছিল।
সায়নি কষ্ট করে বলল,
“আমরা এজন্মে এক হতে পারলাম না রমন…”
রমনের চোখ দিয়ে অনবরত জল পড়ছিল।
“প্লিজ এসব বলো না… কিছু হবে না তোমার…”
দূরে ambulance-এর siren শোনা যাচ্ছিল।
কিন্তু সায়নি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছিল।
তারপর সে খুব কষ্ট করে বলল,
“যে কথাটা বলার জন্য তুমি দশ বছর অপেক্ষা করেছিলে… সেটা এখন শুনতে চাই…”
রমনের চোখ ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল।
সে সায়নিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল—
“ভালোবাসি তোমাকে… খুউউব ভালোবাসি…”
সায়নি হালকা হাসল।
তার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল।
আর ঠিক তখনই…
তার হাতটা আস্তে আস্তে ঢিলে হয়ে গেল।
Ambulance এসে পৌঁছেছিল।
কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
সায়নি চিরদিনের জন্য চলে গিয়েছিল।
রমন তার নিথর শরীরটাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে উঠেছিল—
“সা…য়…নি…!”
সেই রাতের বৃষ্টিতে শহরের আলো ঝাপসা হয়ে গিয়েছিল।
আর রমন বুঝেছিল—
কিছু ভালোবাসা কখনো পূর্ণতা পায় না।
তবুও সেগুলো আজীবন বেঁচে থাকে।
বছর কয়েক পরে মানুষ দেখেছে, রমন আর কোনোদিন বিয়ে করেনি। তার business আরও বড় হয়েছে, টাকা-পয়সা, গাড়ি, বাড়ি— সব হয়েছে। কিন্তু তার ঘরের একটা ড্রয়ারে আজও একটা পুরনো photo রাখা আছে।
স্কুল ড্রেস পরা দুই কিশোর-কিশোরীর ছবি।
ছবিটার কোণ একটু ছেঁড়া।
তবুও রমন সেটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান জিনিসের মতো যত্ন করে রাখে।
কারণ কিছু মানুষ জীবনে থেকে যায় না…
কিন্তু হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকে।
THE END
................
পাঠকদের উদ্দেশ্যে
আমার গল্পটি পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
যদি গল্পটি আপনার ভালো লেগে থাকে, তাহলে অনুগ্রহ করে আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানান এবং গল্পটি আপনার বন্ধু ও পরিচিতদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
আপনার প্রতিটি মন্তব্য, পরামর্শ ও উৎসাহ আমাকে আরও ভালো গল্প লেখার অনুপ্রেরণা দেয়।
আবারও ধন্যবাদ।
— তন্ময় রায়
.jpg)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন